আমরা সবাই অবগত ভারত-চীন সীমা বিবাদ নিয়ে। এরই মধ্যেই চীন তার বাজার খুলে দিলো বাংলাদেশের জন্য। চীন বাংলাদেশের সামগ্রীর ওপর প্রায় ৯৭% কর কম করলো ,এর ফলে সহজেই বাংলাদেশের সামগ্রী চীন বাজারে সহজেই উপলব্ধ থাকবে।
১লা জুলাই থেজে এই সুবিধা কার্যকর হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় ৩০৯৫ টি সামগ্রী শুধু মাত্র চীন বাজারে বেচার অনুমতি ছিল কিন্তু এই ডিলটির পর প্রায় ৮২৫৬টি সামগ্রী চীন বাজারের যেতে পারবে।
২০১৯ সালে চীন ও বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি ছিল প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার ,যার মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করতো ৪ বিলিয়ন ডলারের এবং আমদানি করতো প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার যেটা বাংলাদেশর পক্ষে মোটেও লাভ জনক নই। এই নীতি টি শুরু হয়ে ফলে আসা করা যাচ্ছে চীন এবং বাংলাদেশের ট্রেড ডেফিসিয়েট কিছুটা হলেও কমবে।
চীন এইসময়ে পৃথিবীতে সাম্রাজ্য বিস্তার নীতির জন্যই আলোচনায় রয়েছে। দক্ষিণ -চীন সাগরের ওপর তার লোভ দিন দিন বেরিয়েই যাচ্ছে। তার সাম্ৰাজ্য বাদি নীতিতে ইতি মধ্যে নেপাল,শ্রীলংকা ফেঁসে গেছে। সেই রকমই বাংলাদেশের সাথে তার অনেক এগ্রিমেন্ট পাস করা আছে তবুও বাংলাদেশের সরকার এখনো সেগুলিকে কার্যকর করেনি।
১লা জুলাই থেজে এই সুবিধা কার্যকর হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় ৩০৯৫ টি সামগ্রী শুধু মাত্র চীন বাজারে বেচার অনুমতি ছিল কিন্তু এই ডিলটির পর প্রায় ৮২৫৬টি সামগ্রী চীন বাজারের যেতে পারবে।
২০১৯ সালে চীন ও বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি ছিল প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার ,যার মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করতো ৪ বিলিয়ন ডলারের এবং আমদানি করতো প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার যেটা বাংলাদেশর পক্ষে মোটেও লাভ জনক নই। এই নীতি টি শুরু হয়ে ফলে আসা করা যাচ্ছে চীন এবং বাংলাদেশের ট্রেড ডেফিসিয়েট কিছুটা হলেও কমবে।
চীন এইসময়ে পৃথিবীতে সাম্রাজ্য বিস্তার নীতির জন্যই আলোচনায় রয়েছে। দক্ষিণ -চীন সাগরের ওপর তার লোভ দিন দিন বেরিয়েই যাচ্ছে। তার সাম্ৰাজ্য বাদি নীতিতে ইতি মধ্যে নেপাল,শ্রীলংকা ফেঁসে গেছে। সেই রকমই বাংলাদেশের সাথে তার অনেক এগ্রিমেন্ট পাস করা আছে তবুও বাংলাদেশের সরকার এখনো সেগুলিকে কার্যকর করেনি।
0 Comments